আরো একটি ১৫ আগষ্ট তৈরির পরিকল্পনা করছে ষড়যন্ত্রকারীরা-শামীম ওসমান

7

সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার: নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাংসদ শামীম ওসমান বলেন, আজকে দেশের সর্বত্রই একটি নাম উচ্চারিত হচ্ছে আর সেটা হলো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। কিন্তু ১৫ আগষ্টের সেই কালো রাতে তাকে স্বপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। যিনি এদেশের আপামর জনগণের মুক্তির স্বপ্ন দেখেছিলেন। শনিবার সকাল ১০টায় নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা প্রাঙ্গনে বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বঙ্গবন্ধুর উন্নয়ণ আদর্শ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু ছিলেন এ দেশের মানুষের সত্যিকারের বন্ধু।

যিনি স্বপ্ন দেখতেন একটি স্বাধীন বাংলাদেশের কিন্তু আমরাই তাকে হত্যা করলাম। কেন একথা বললাম ? কারন ১৯৭১ সালের যুদ্ধের সময় বঙ্গবন্ধুকে আটক করে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী। ঐসময় বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার সকল পরিকল্পনা করা হয় কিন্তু পাকিস্তানীরা তাকে স্পর্শ করার সাহস পায়নি।

কিন্তু দেশ স্বাধীন হওয়ার মাত্র সাড়ে ৩ বছরের মধ্যেই তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। দেশের বাইরে থেকে কোন মানুষ এসে তাকে হত্যা করেনি, খন্দকার মোস্তাকের দলই বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে। তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিরলস কাজ করে দেশকে আজ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করেছে অথচ তাকেও হত্যা করার জন্য ২০ বার চেষ্টা করা হয়েছে। কারন তিনিও এদেশের মানুষের কথা ভেবে কাজ করে যাচ্ছেন।

এখনো তাকে লক্ষ্য করে আরো একটি ১৫ আগষ্ট তৈরির পরিকল্পনা করছে ষড়যন্ত্রকারীরা যদি সেটা হয় তাহলে বাংলাদেশের আর ঘুরে দাঁড়ানোর কোন ক্ষমতা থাকবেনা। আজকে আমরা যেভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছি যদি ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট এভাবে ঘুরে দাঁড়াতাম তাহলে দেশ আজ বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলায় পরিণত হতো।

এর পূর্বে একটি আনন্দ শোভাযাত্রা সদর উপজেলা প্রাঙ্গন থেকে বের হয়ে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড প্রদক্ষিন করে পূনরায় উপজেলা প্রাঙ্গনে এসে শেষ হয়। নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদা বারিকের সভাপতিত্বে সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন, জেলা প্রশাসক মোঃ জসিম উদ্দিন, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মোঃ আব্দুল হাই, সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত মোঃ শহীদ বাদল, মহানগর আ’লীগের যুগ্ম সম্পাদক শাহ নিজাম, ফতুল্লা থানা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক এম শওকত আলী, জেলা মহিলা আ’লীগের সভানেত্রী প্রফেসর ড. শিরিন বেগম, মহানগর যুবলীগের সভাপতি শাহাদাত হোসেন সাজনু, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এহসানুল হক নিপু, কুতুবপুর ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুল আলম সেন্টু প্রমুখ

Comments are closed.