“প্রধান মন্ত্রী চাইলে পটুয়াখালী জেলা আওয়ামীলীগকে আরও সু-সংগঠিত করবো”- বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্জ কাজী আলমগীর

6

হামীম ইসলাম (পটুয়াখালী):

বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব কাজী আলমগীর ১৯৫৩ সালের ৩১ জানুয়ারী পটুয়াখালী জেলার দশমিনা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী কাজীবাড়ীতে জন্মগ্রহন করেন। রাজনৈতিক পরিবারে বড় হওয়া আলহাজ্জ কাজী আলমগীর ছাত্র জীবন থেকে আওয়ামীলীগের সক্রিয় রাজনীতিতে যুক্ত থেকে বর্তমানে পটুয়াখালী জেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বড় চাচার কাছ থেকে রাজনৈতিক হাতেখরি হওয়া আলহাজ্জ কাজী আলমগীর ছাত্রজীবন থেকে সৎ ও দক্ষতার সাথে প্রতিটি রাজনৈতিক কর্মকান্ড পরিচালনা করেছেন। আলহাজ্জ কাজী আলমগীরের বড় চাচা মরহুম এ্যাডভোকেট আবুল কাসেম ছিলেন পটুয়াখালী জেলা আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং জাতীয় সংসদ সদস্য।
১৯৬৯ সালের গন অভ্যুত্থানের আন্দোলনে আলহাজ্জ কাজী আলমগীর কিশোর বয়সে সক্রিয় অংশগ্রহন করেন এবং স্কুল সংগ্রাম পরিষদের আহবায়ক নির্বাচিত হন। তখন থেকে রাজনৈতিক পথ চলা শুরু হয় তার। ১১ দফা আন্দোলনে কারাভোগও করেন তিনি। ছাত্র রাজনীতিতে জনপ্রিয়তার শির্ষে থাকায় ১৯৭০ সালে পটুয়াখালী সরকারী কলেজে ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হন। জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে ১৯৭১ সালে সক্রিয়ভাবে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন করেন আলহাজ্জ কাজী আলমগীর।
যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে ১৯৭২ সালে পটুয়াখালী জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নৃশংসভাবে হত্যার প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জহুরুল হক হলে অবস্থান নিয়ে দলীয় কর্মকান্ডে অংশগ্রহন করেন এবং ছাত্রলীগের ১ম মিছিলে সক্রিয় স্লোগান তোলেন তিনি।
পরবর্তীতে ১৯৭৬ সালের ২৮ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মিছিল করার সময় গ্রেফতার হন এবং দীর্ঘ ২৮ মাস কারাভোগ করেন। ১৯৮৬ সালে শ্রমিকলীগের সভাপতি নির্বাচিত হবার পর তৎকালীন স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের অংশগ্রহন করার অপরাধে এবং ২০০২ সালে জামাত বি.এন.পি সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করায় কয়েকবার কারাভোগ করেছেন। রাজনৈতিক পথে ২০১৪ সালে জেলা আওয়ামীলীগের ১নং যুগ্ন সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হন তিনি।
২০১৭ সাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত আলহাজ্জ কাজী আলমগীর সুদক্ষতার সাথে পটুয়াখালী জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদকের পদে বহাল রয়েছেন। এছাড়াও তিনি আঃ হাই বিদ্যানিকেতনের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। বর্তমানে তিনি পটুয়াখালী আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদকের দায়িত্ব পালনের সাথে বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালের সভাপতি, পটুয়াখালী জেলা পেশাজীবী ও শ্রমজীবী সমন্বয় পরিষদের সভাপতি, জেলা রেড ক্রিসেন্টের সদস্য, জেলা চেম্বার অব কর্মার্সের সদস্য, জেলা ক্রিয়া সংস্থার সাধারন সম্পাদক সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।
একান্ত সাক্ষাৎকারে আলহাজ্জ কাজী আলমগীর ভোরের বাংলাদেশ প্রতিবেদককে জানান, সৎ এবং দক্ষতার সাথে আমি শ্রমীকনেতা এবং শ্রমীকনেতা থেকে জনগনের ভালোবাসায় বতর্মানে পটুয়াখালী জেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করছি।
তিনি আরও বলেন প্রধানমন্ত্রী চাইলে ভবিষ্যতেও তিনি পটুয়াখালী জেলার সাধারন সম্পাদক পদে বহাল থেকে পটুয়াখালী জেলা আওয়ামীলীগকে আরও সু-সংগঠিত করবেন।

Comments are closed.