নারায়ণগঞ্জে যক্ষ্মা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

9

 স্টাফ রিপোর্টারঃ আমরা উন্নয়নের নামে নতুন কিছু দূর্যোগের সৃষ্টি করছি। বিল্ডিং তৈরি করছি কিন্তু সে বিল্ডিং নির্মাণ ত্রুটির এর কারণে নতুন প্রজম্মের ৫ জনকে হারাতে হয়েছে।

সে জায়গা গুলোতে আমাদের কাজ করতে হবে। মনে রাখবেন, আপনার আমার ব্যর্থতা ও সমস্যা অনেক বড় র্দূযোগের সৃষ্টি হতে পারে। নারায়ণগঞ্জের যে সকল দূযোর্গ রয়েছে তা যদি পরিত্রাণে আমরা জয় লাভ করতে পারি তাহলে ২০৪১ সালের মধ্যে দেশ একটি র্দূযোগমুক্ত উন্নত পরিবেশে পরিণত হবে। মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) সকাল ১১ টার সময় নারায়ষগঞ্জ চাঁনমারি হিমালয় কমিউনিটি সেন্টারে যক্ষ্মা বিষয়ক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মো. জসিম উদ্দিন এ কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, সবই হয় কিন্তু আসল জিনিসটাই হয় না। কর্মসূচি হচ্ছে আপনারা আসবেন, জানবেন, তারপরে চলে যাবেন।

যার যা করণীয় তা যদি না করেন। তাহলে এই কর্মসূচি সফল হবে কিভাবে? সকলকে বলছি এখান থেকে যে মেসেজ নিয়ে যাচ্ছে তা নিয়ে গিয়ে চোপ করে মুখ বুজে বসে থাকবেন না।

আপনাদের ১০০% দিয়ে কাজ করবেন। এছাড়াও তিনি আরও বলেন, সকলকে সচেতন করার জন্য সকলে মিলে বসে বিভিন্ন ভাবে বিভিন্ন রকমের প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমে যক্ষ্মা প্রতিরোধ সম্পর্কে আবগত করার জন্য বেশি বেশি প্রচেষ্টা করবেন। নারায়ণগঞ্জ সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইমতিয়াজ বলেন, সকলে কর্মস্থলে ফিরে গিয়ে বিভিন্ন ভাবে প্রচার-প্রচারণার মধ্যে দিয়ে যক্ষ্মা, টিভি প্রতিরোধ সম্পর্কে ছড়িয়ে দিতে হবে। যারা অসচেতন তাদের সচেতন করতে হবে। তাদের চিকিৎসার আওয়াতাধীন আনতে হবে। তা না হলে এসকল রোগ র্নিমূল করা সম্ভব হবে না।

 

বর্তমানে লাখ প্রতি ২২১ জন রোগী। বিভিন্ন রকমের প্রচার-প্রচারণা, তাদের মনোবল ও সাহস যোগীয়ে চিকিৎসার আওয়াতায় আনা যায়। তাহলে ২০৩০ সালের মধ্যে লাখ প্রতি ৯% নিয়ে আসতে পাড়বো। জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির বিভাগীয় যক্ষ্মা বিশেষজ্ঞ ডা. আহমেদ পারভেজ জাবীন বলেন, আজকে এই কর্মশালার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে একটাই নারায়গঞ্জ জেলাকে যক্ষা নিয়ন্ত্রণ ও মুক্ত করা সম্পর্কে অবগত করানো।

সকলকে সচেতন করতে বিভিন্ন প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমে অবগত করে চিকিৎসাধীন এনে যক্ষ্মা মুক্ত দেশ গড়তে হবে। উক্ত কর্মশালাটি সঞ্চালনা করেন সদর উপজেলার স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম। জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইমতিয়াজ’র সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা মহাখালি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এএসপি টিবিএল লাইন ডাইরেক্টর অধ্যাপক ডা. শামিউল ইসলাম, নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা, আবু জাহের, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার অহিন্দ্র কুমার মন্ডল, জেলা শিক্ষা অফিসার মো. শরিফুল ইসলাম, জেলা পরিবার পরিকল্পনার উপ-পরিচালক মো. বসির উদ্দিন, সহকারী কমিশনার মো. জাকির হোসেন, জেলা ইপিআই সুপার মো. লুৎফর রহমান, সিভিসার সার্জন কার্যালয়ের প্রোগাম অর্গানাইজার (যক্ষ্মা-কুষ্ঠ) আলতাফ হোসেন মোল্লা, জেলা স্বাস্থ্য তত্বাবধায়ক কুমার দেকনাথ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন- ইসলামী ফাইন্ডেশনের প্রতিনিধি, জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তা, এনজিও প্রতিনিধি ও নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন বিশেষঞ্জ চিকিৎসকগণ।

Comments are closed.