নারী দিবস নিয়ে তারকাদের ভাবনা

6

বিনোদন ডেস্ক:
প্রতি বছর ৮ মার্চ ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস’ পালিত হয়। নারীদের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত দিবস এটি। সারা বিশ্বব্যাপী নারীরা একটি প্রধান উপলক্ষ হিসেবে এই দিবস উদযাপন করে থাকেন। বিশ্বের এক এক প্রান্তে নারীদিবস উদযাপনের প্রধান লক্ষ্য এক এক প্রকার হয়। কোথাও নারীর প্রতি সাধারণ সম্মান ও শ্রদ্ধা উদযাপনের মুখ্য বিষয় হয়, আবার কোথাও মহিলাদের আর্থিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রতিষ্ঠাটি বেশি গুরুত্ব পায়।

আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে দেশের শোবিজ তারকারা তাঁদের ভাবনার কথা তুলে ধরেছেন। তাঁদের মধ্য থেকে কিছু তারকাদের ভাবনা তুলে ধরা হলো-

নুসরাত ইমরোজ তিশা
অনেক ক্ষেত্রেই নারী অধিকার এখন ইতিবাচক হয়ে এসেছে। এসব ভাবনা অনেকটা এগিয়ে গেলেও এখনো আমাদের সমাজে নারীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা হয়নি। এটা ঠিক যে অধিকার কেউ কাউকে দেয় না। তবে অধিকার আদায় করার জন্য সামাজিকভাবে একটা সুস্থ চিত্র দাঁড় করানো দরকার। আমার মনে হয় এই কারণেই নারী দিবস অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

জয়া আহসান
যার জন্য আমি আজ এখানে আছি, সেই বিশেষ মানুষটি আমার মা। তার দ্বারা প্রদর্শিত পথই আজ আমার স্বপ্নপূরণে সাহায্য করেছে। আমার নারী জনম আলোকিত করে দিয়েছে। এই বিশেষ দিনে, আমার জীবনে মায়ের অবদানের কথা বর্ণনা করতে আমার কাছে যথেষ্ট শব্দ নেই। সবকিছুর জন্য তোমায় ধন্যবাদ মা।

শবনম বুবলী
শুধু একদিন নারীদের মর্যাদা না দেখিয়ে সারা বছর দেখানো উচিত। তাহলে সেটা হবে নারীর প্রতি আসল অধিকার প্রদর্শন। আমাদের দেশের নারীরা আগের চেয়ে অনেক ভালো আছেন। আর যারা অবহেলার শিকার হচ্ছেন তারা প্রকৃত শিক্ষা থেকে দূরে আছেন বলেই মনে করি। তাই সকল নারীর এই ব্যাপারে সচেতন হওয়া উচিত।

মেহজাবিন চৌধুরী
প্রতিটি ছেলের জীবনে এক বা একাধিক নারী থাকে। সেটা হতে পারে মা, বোন, স্ত্রী। তাই প্রতিটি পুরুষের জীবনে নারীর অবদান অনেক। আর সমাজে বাস করতে হলে নারী পুরুষ একসাথে চলতে পারলে সবদিক দিয়ে উন্নতি করা সম্ভব। এখন মিডিয়াতে পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও দিব্যি কাজ করে যাচ্ছে। তারাও এই অঙ্গনকে সমৃদ্ধ করছে।

তানহা তাসনিয়া
নারী দিবস ঘটা করে পালন করার কিছু নেই। আমরা যদি আমাদের পরিবারসহ সব নারীদের মন থেকে সম্মান করি, তাদেরকে মূল্য দেই তবে সেটাই হবে নারী দিবসের স্বার্থকতা। আমি যেহেতু পরিবারের বড় মেয়ে আমাকে মেয়ে এবং ছেলে দুজনের কাজই করতে হয়। কারণ আমার পরিবার এটা শিখিয়েছে যে, নারী বা পুরুষ বলে আলাদা করার কিছুই নেই। একটা পুরুষ যা করতে পারে, একটা মেয়েও চাইলে সেটা করতে পারে। তার জন্য দরকার মনমানসিকতা। আর আমি সেটাই করে আসছি সবসময়। যেই দেশে একজন নারী দেশ পরিচালনা করতে পারে, সে যেকোন কিছুই করতে পারে।

নুসরাত ফারিয়া
নারীর অধিকার নিয়ে কি এই একটি দিনই চিন্তা করবো? বছরের এই একটি দিন শুধু নারীদের সম্মান জানানো হবে আর বাকি দিনগুলোতে তারা অবহেলিত থাকবে; এমন হলে এই দিবসের কোনো প্রয়োজন নেই। অনেক ক্ষেত্রেই নারী অধিকার এখন ইতিবাচক হয়ে এসেছে। এসব ভাবনা অনেকটা এগিয়ে গেলেও এখনও আমাদের সমাজে নারীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা হয়নি।

Comments are closed.