ফতুল্লার চাঁনমারিতে দিনে মাদক ব্যবসা রাতে ছিনতাই

30

নিজস্ব প্রতিবেদক:
নারায়ণগঞ্জ শহরের চাঁনমারিতে ইয়াবা, হেরোইন, গাঁজা, পেথিডিনসহ এমন কোন মাদক নেই যা এখানে পাওয়া যায়না। মাদক ব্যবসায়ী থেকে খুচরা বিক্রেতা সবই চাঁনমারিতে। মাদকদ্রব্য বিক্রির পাশাপাশি এখানকার মাদকব্যবসায়ীরা শহরের বিভিন্ন প্রান্তে ছিনতাই, চুরি, রাহাজানি, সাধারনের পকেট মার করে চলছে। সমাজে মাদকের বিষ ক্রিয়া ছড়ানোর পাশাপাশি নানা অপরাধ কর্মকান্ড করে বেড়ালে এদের ধমানো যাচ্ছেনা অদৃশ্য কারণে। প্রশাসন বিভিন্ন সময় এদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করলেও থেমে নেই তাদের দৌড়াত্ব। চাঁনমারি শহরবাসীর কাছে মাদকের স্পট হিসেবেই অধিক পরিচিত। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যাপক অভিযানের পরও এখানে থেমে নেই মাদক ব্যবসা।

চাঁনমারির বস্তি থেকে গাজাঁ, ইয়াবা ও হেরোইন উদ্ধারসহ বেশ কয়েকটি অভিযানে র‌্যাব ও পুলিশের কাছে অনেক ব্যবসায়ী আটক হলেও তারা আদালত থেকে জামিনে বেড়িয়ে আবারও এই অপকর্মে জড়িয়ে পরে।

স্থানীয়দের ভাষ্যমতে ময়না, লাকি, মহর (হেরোইন ব্যবসায়ী), নাজমা, আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর ক্রসফায়ারে নিহত বিপ্লবের স্ত্রী সাজু, বিলকিস, স্বামী কাসু, জামাল, স্ত্রী মেরি, জুয়েল, হযরত, গিয়াস, শিবু, মিলন, পকেটমার সেলিম, মিলন, হেরোইন ডিলার সিমা, মিন্টু, নুরআলম, রুবেল পিতা সোহেল, আলাউদ্দিন, ইব্রাহিম পিতা মিন্টু, ছাড়াও প্রায় অর্ধশতাধিকের একটি সিন্ডিকেট চাঁনমারি বস্তিতে বিভিন্ন মাদক সেবনকারীদের কাছে অবাধে গাঁজা ও অন্যান্য মাদকদ্রব্য বিক্রি করার পাশাপাশি শহরের বিভিন্ন প্রান্তে ছিনতাই, চুরি, রাহাজানি ও পকেঁমারসহ সাধারনের জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে চলছে।

এক মাদক ব্যবসায়ী নাম ঠিকানা প্রকাশ না করে এই প্রতিবেদককে জানান, এখানকার প্রায় সকল মাদক ব্যবসায়ী ও খুচরা বিক্রেতাদের নামে অনেকগুলো মামলা। মামলাগুলো চালাতে অনেক টাকা খরচ হয়। তাই তারা মাদক বিক্রি বিক্রি করে থাকে। এয়াড়া দিনে মাদক ব্যবসা করলেও বেশির ভাগ মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারী রাতের বেলায় শহর ও আশেপাশে ছিনতাই, চুরি ও পকেটমারের কাজে নিয়োজিত হয়।

Comments are closed.