ডিবি পুলিশের উপর হামলা ও অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী সালু বিরুদ্ধে বন্দর থানায় পৃথক মামলা

6

বন্দর প্রতিনিধি:
পুলিশের পুরস্কার ঘোষিত মাদক ব্যবসায়ী সালাউদ্দিন ওরফে সালু(৩৮)কে অস্ত্র ও গুলিসহ গ্রেপ্তার এবং ডিবি পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় থানায় পৃথক ২টি মামলা রুজু করা করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ডিবি । গত রোববার দুপুরে ডিবি পুলিশের উপ-পরিদর্শক মিজানুর রহমান বাদী হয়ে বন্দর থানায় এ দুইটি মামলা রুজু করেন।

যার অস্ত্র আইনে মামলা নং- ৩৮(৯)১৯ ও পুলিশ আক্রান্ত মামলা নং- ৩৯(৯)১৯। জানা গেছে, জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ডিবি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত শনিবার রাতে বন্দর থানার নবীগঞ্জ বাগবাড়ি এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযান কালে ডিবি পুলিশ জেলা পুলিশ সুপার কর্তৃক পুরস্কার ঘোষিত মাদক স¤্রাট সালাউদ্দিন ওরফে সালুকে গ্রেপ্তার করে।

তার স্বীকারউক্তি মোতাবেক তার দখল থেকে ১টি বিদেশী পিস্তল ও ৪ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে। এ ব্যাপারে ডিবি পুলিশের উপ-পরিদর্শক মিজানুর রহমান বাদী হয়ে পুরস্কার ঘোষিত মাদক ব্যবসায়ী সালুকে আসামী করে তার বিরুদ্ধে বন্দর থানায় অস্ত্র আইনে মামলা রুজু করে। যার মামলা নং- ৩৮(৯)১৯।

ডিবি পুলিশের অভিযান চলাকালে চিহিৃত মাদক ব্যবসায়ী সালুর সহযোগীরা সালাউদ্দিনকে ছাড়িয়ে নিতে ডিবি পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে তাদের ব্যবহৃত একটি মাইক্রোবাস ভাংচুর করে। ওই সময় ডিবি পুলিশও আতœরক্ষার্থে ফাঁকা গুলি ছুড়েন। পুলিশের ফাঁকা গুলিতে নাহিদ (২৮) নামে এক গার্মেন্ট শ্রমিক গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়। পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় ডিবি পুলিশের উপ-পরিদর্শক মিজানুর রহমান বাদী হয়ে ধৃত মাদক ব্যবসায়ী সালুসহ ১২ জনের নাম উল্লেখ্য করে এবং ৭০/৮০ জনকে অজ্ঞাত আসামী করে বন্দর থানায় অপর আরো একটি মামলা রুজু করেন। এলাকাবাসী জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত সালু নারায়ণগঞ্জে র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত মাস্টার দেলুর অন্যতম সহযোগী। সে মদনগঞ্জ এলাকার শফিকুল ইসলামের ছেলে। এবং মদনগঞ্জ এলাকার এক সময়ের মাদক স¤্রাট ডিবি পুলিশের সাথে বন্দুক যুদ্ধে নিহত পিচ্ছি সুমনের ভাতিজা বলে জানা গেছে।

Comments are closed.