বন্দরে স্ত্রীর পরকীয়ায় বাধা দিতে গিয়ে স্বামী নির্যাতনের শিকার

3

বন্দর প্রতিনিধি:বন্দরে স্ত্রীর পরকীয়ায় বাধা দিতে গিয়ে অমানষিক নির্যাতনের শিকার স্বামী। স্বামীকে হত্যার পরিকল্পনায় ব্যর্থ হয়ে নিজের মাথা কেটে স্বামীকে মামলায় ফাঁসাতে মরিয়া হয়ে উঠেছে পষান্ড স্ত্রী। মেধাবী দুই সন্তানের মূখের দিক তাকিয়ে সংসার টিকাতে একাধীক বার মিমাংশা করে দিয়েছেন প্রশাসনিক কর্মকর্তারা। তার পর পরকীয়া ছাড়েনি স্ত্রী। সমাজে ও গ্রামবাসীর মধ্যে এই পরকীয়ার ঘটনা অজনা নয়। শুধু অজনা ছিলো স্বামী। সমাজের মানুষের সমালোচনায় ঘৃণায় স্ত্রীকে পরকীয়ায় বাধা দেয় স্বামী ।

এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আরো বেপরোয়া হয়ে উঠে স্ত্রী । শুরু হয় স্বামীর বিরুদ্ধে নানান সরযন্ত্র। তার পর দুই সন্তানের মূখের দিকে তাকিয়ে এক পুলিশ অফিসারের কথা রাখতে গিয়ে সংসার করলেও পরকীয়া বন্ধ হয়নি। শেষ পর্যন্ত স্ত্রীর পরকীয়ায় বাধা দেয়ায় স্বামীর ঘর থেকে নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কারসহ মূল্যবান মামলা নিয়ে ঘরে তালা দিয়ে চলে আসে। স্বামী রাতে ঘর তালা দেখে ছুটে আসেন শশুর বাড়িতে।

শশুর বাড়িতে এসে দেখেন স্ত্রী তার পরকীয়া প্রেমিক সঙ্গে। স্বামী এই ঘটনা দেখে ফেলায় মুহুর্তের মধ্যে তাকে হত্যার চেষ্টা করে স্ত্রী-শাশুড়িসহ শশুর বাড়ির লোকজন। এই অন্যায় সহ্য করতে না পেয়ে স্থানীয় লোকজন পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে স্বামী উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়। স্বামীকে একেবারে জীবনে শেষ করতে না পারায় নিজের মাথা কেটে এখন মিথ্যা মামলা ফাঁনোর চেষ্টা করছে পষান্ড স্ত্রী। এবার সঠিক সিন্ধান্ত চাচ্ছেন এলাকাবাসী ও সচেতন মহল। তবে শেষ পর্যন্ত বিষয়টি স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের কাছে বিচার প্রার্থনা করেছেন স্বামী তার পরিবার। লোক লজ্জার আতœসম্মনের ভয়ে তাই স্ত্রী অপকর্ম মূখবুঝে সহ্য করে নিয়েছেন স্বামী। স্বামী একজন সম্মানিত ব্যক্তি তাই নাম পরিচয় দেয়া সম্ভব হচ্ছে না।

Comments are closed.