বন্দরের ইউসুফ মেম্বার কে দুই দিনের রিমান্ড

9

নিজস্ব সংবাদদাতা :বন্দরের কলাবাগের ফাতেমা(৫০) স্বামী মৃত-মফিজ উদ্দীনের স্ত্রী মারামারি মামলায় অপরাধের আসামী ইউসুফ মেম্বার সহ ১১ জনের ২ দিনের পুলিশ রিমান্ড।

রিমান্ডপ্রাপ্ত আসামীরা হলেন ১.ইউসুফ মেম্বার(৫০),২.জীবন মিয়া(৫০) পিতা-জয়নাল,৩.সুমন পিতা-সিরাজ,৪.আলমগীর(২৮) পিতা-সাহেব আলী,৫.মতিন(৪৮)পিতা-আহাম্মদ,৬.শাহীন(৩৫)পিতা-নাজির উদসীন,৭.উম্মে হানি(৪৫)স্বামী-জীবন,৮.মাকসুদা(৩৯)স্বামী-মতিন,৯.এলিজা বেগম(৪১)স্বামী-সিরাজ,১০.নাদিম(২৩)পিতা আমান,১১.ইমান হোসেন(৪৫)পিতা শাহাদাত।

মঙলবার(১৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে ১১ জন আসামীকে ৫ দিনের পুলিশ রিমান্ড চেয়ে আদালতে তুলে পুলিশ।পরে শুনানি শেষে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফাহমিদা খাতুন এর আদালতে ২ দিনের পুলিশ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

উল্লেখ্য ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ সকাল ১১ ঘটিকায় বন্দরের কলাবাগ বন্দর থানাধীন ফাতেমা বেগম(৫৫)স্বামী মৃত-মফিজ উদ্দীনের স্ত্রী উম্মে হানি(৪৫)স্বামী জীবন এর নিকট ১লক্ষ ২২ হাজার পাওনা টাকা নিয়ে বিবাদ বাদে।পরে উম্মে হানি মেম্বার ইউসুফ সহ ১১ জন এসে ফাতেমার নিকট ৫ লক্ষ টাকার চাঁদা দাবী করে।ফাতেমা অস্বীকার করলে জোরপূর্বক ১ লক্ষ ২৭ হাজার টাকা নিয়ে যায় এবং গৃহে থাকা ৩ লক্ষ টাকার আসবাপত্র মেম্বারের নির্দেশে লোকেরা ভাংচুর করে।ফাতেমা প্রতিবাদ করায় মতিন,সুমন ও জীবন মিলে লোহার রড দিয়ে ফাতেমার মাথায়,হাতে ও পায়ে গুরুতর আহত করে বারি দিয়ে এবং মাকসুদা ও উম্মে হানি ফাতেমাকে গাছের সাথে দুই হাত পা বেঁধে মাথার চুল কেটে দেয়।ফাতেমার চিৎকার শুনে বোন আসমা ও প্রতিবেশী ভানু আসলে মতিন ও সুমন তাদের লোহার রড দিয়ে বারি মেরে আহত করে।ঘটনাস্থলে ফাতেমার মেয়ে রোকসানা ও নাতী আব্দুল্লাহকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুরুতর আহত করে এবং সকলকে পতিতার মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়।স্থানীয় লোকজন মিলে আহত সবাইকে হাসপাতালে ভর্তি করে।পরে ফাতেমা মোবাইলে মেম্বার সহ তার কতিপয় লোকজন মিলে বিভিন্ন প্রকার হুমকি দেয়।ফাতেমা বন্দর থানায় মামলা করেন মামলা নং-৪০ ১৮/০২/১৯ইং, ধারা-১৪৩/৪৪৮/৩২৩/৩২৫/৩২৬/৩০৭/৩৫৪/৩৮৫/৩৮৬/৩৮০/৪২৭/৫০৬(২)/১১৪।উক্ত মামলায় মেম্বার ইউসুফ সহ ১১ জনকে বন্দর থানার পুলিশ ১৮ ফেব্রুয়ারি ধরে নিয়ে আসেন।

Comments are closed.