রৌমারীতে দ্রব্য মুল্য বৃদ্ধি না করার জন্য ব্যবসায়ীদের সতর্ক করলেন ইউএনও

7

শফিকুল ইসলাম,ব্যুরো প্রধান রৌমারী কুড়িগ্রামঃ
কুড়িগ্রামের রৌমারীতে দ্রব্য মুল্য বৃদ্ধি না করার জন্য ব্যবসায়ীদেরকে সতর্ক করলেন
উপজেলা নির্বাহী অফিসা (ইউএনও)।

রবিবার বিকাল ৫টার দিকে রৌমারী
বাজারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আল ইমরান এই সতর্কবানি দেন। এসময় উপস্থিত
ছিলেন রৌমারী থানার অফিসার ইনচার্জ আবু মোহাম্মদ দিলওয়ার হাসান ইনাম, বণিক
সমিতির সভাপতি প্রদীপ কুমার সাহা, সাধারন সম্পাদক ফজলুল হক ফুলু, রাজনৈতিক
নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিকগন।
উল্লেখ্য করোনা ভাইরাসের অজুহাত দেখিয়ে উপজেলার প্রায় ৩৫ টি বাজারে নিত্য
প্রয়োজনীয় দ্রব্য মূল্য লাগামহীনভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। একটি সুযোগ সন্ধানী অসাধু
ব্যবসায়ী বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরী করে চাল, ডাল, আটা, চিনি, আলু, আদা, রশুন,
পেয়াজ, টিস্যু ও ভোজ্যতৈলসহ বিভিন্ন নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য মূল্য প্রতিদিন
ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করছে। করোনার আতঙ্কে সাধারণ মানুষ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য
সামগ্রী অতিরিক্ত ক্রয়ের জন্য রৌমারী বাজারসহ আশপাশের বাজার গুলোতেও কৃত্রিম
সংকট সৃষ্টি হয়েছে।
২১ মার্চ শনিবার সরেজমিনে বাজার ঘুরে দেখা গেছে, চালের বাজারে গত ২-৩ দিনের
ব্যবধানে প্রতি বস্তায় (৫০ কেজি) ৪’শ থেকে ৫শ’ টাকায় বৃদ্ধি হয়েছে। এছাড়াও
পেয়াজ প্রতি কেজি ২০, রশুন ৩০, আদা ২০, আলু ৫, চিনি ৫, আটা ৭ টাকা ও ভোজ্য
তৈলসহ প্রায় সব কিছুর মূল্য বৃদ্ধি হয়েছে।
বাজারে খাদ্যদ্রব্য ক্রয় করতে আসা ওলি মিয়া বলেন, আমি আজ তিন দিন পর বাজারে এসে
প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি দেখে অবাক হয়ে গেলাম। তিনি আরও বলেন,
আমরা গরিব মানুষরা দিনে আনি দিন খাই, যদি এভাবে জিনিস পত্রাধীর মূল্য বৃদ্ধি হয়
তাহলে আমরা স্ত্রী বাচ্চাসহ কি খেয়ে বাঁচবো বুঝতেছিনা।
এব্যাপারে রৌমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার আল ইমরান বলেন, বাজারে কৃত্রিম সংকট
সৃষ্টি করে দ্রব্য মুল্য বৃদ্ধির চেষ্টা করা হচ্ছে। তাই বাজারে দ্রব্য মুল্য যাতে বৃদ্ধি করতে না
পারে সেজন্য আগাম সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে।

Comments are closed.