জামালপুরে নতুন পেঁয়াজ আমদানি হলেও কমছেনা পেঁয়াজের দর

0
 ফারুক মিয়া, জামালপুর
জামালপুরের প্রতিটি উপজেলায় হাট-বাজার গুলোতে নতুন পাতা পেঁয়াজ আমদানি হলেও কমছেনা পেঁয়াজের দর,পেঁয়াজ আঢ়ৎদার মালিক’রা পুরাতন পেঁয়াজ পাইকারি মুল্যে প্রতি কেজি দাম নিচ্ছে ১৮০ টাকা খুচরা ব্যবসায়ী’রা প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম নিচ্ছে ২২০ টাকা।

যমুনা, ব্রহ্মপুত্র, জিঞ্জিরাম নদী তীরবর্তী চরাঞ্চলে পেঁয়াজ চাষীরা নদীর কোলায় জেগে উঠা চর জমিতে পেঁয়াজ চাষ করে লাভবান হচ্ছেন। হাট বাজার গুলোতে বেশি দামে পেঁয়াজ বিক্রি করতে পেরে তাদের মুখে হাসির ঢল ও আনন্দ উল্লাস দেখা গেছে।

দেওয়ানগঞ্জ কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এবার উপজেলায় ৩৫০ হেক্টর জমিতে পাতা পেঁয়াজ চাষ করা হয়েছে।  কৃষি কর্মকর্তা মতিউর রহমান ও উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা নাজমুল হাসান জানান, পাতা পেঁয়াজ (পেঁয়াজ কলি) নদীর কোলায় জেগে উঠা চরে মাত্র ৪০ দিনে এ জাতের পেঁয়াজ পরিপক্ক হয়। পেঁয়াজ দেখতেও সুন্দর ও লাল টকটকে। উপরে পেঁয়াজ কলি গাঢ় সবুজ লম্বা হয়। প্রতি বিঘায় উৎপাদন হয় ৩০-৩৫ মণ। বর্তমান বাজারে পাতা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৭০-৮০ টাকা কেজি দরে। বিক্রি হিসাব অনুযায়ী প্রায় ১ কোটি টাকার পেঁয়াজ কলি উৎপাদন হয়েছে।

১৬ নভেম্বর দেওয়ানগঞ্জের যমুনা তীরবর্তী চরাঞ্চল চিকাজানী খোলাবাড়ী এলাকা সরেজমিনে ঘুরে ও কৃষকের সাথে কথা বলে জানা যায়, পেঁয়াজ চাষী আব্দুল খালেক ও শফিকুল ইসলাম প্রতিবছর বাজারে পাতা পেঁয়াজ ২০-২৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেন। কিন্তু এবার বাজারে নিতে হচ্ছে না জমিতে এসেই জামালপুর ময়মনসিংহ সহ বিভিন্ন শহরের বেপারীরা ৬০-৭০ টাকা কেজি দরে কিনে নিচ্ছেন পাতা পেঁয়াজ।

দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা সমবায় অফিসের চাকরি জিবি মোমিন সরকার বললেন
১৫/১১/১৯ তারিখ  এ  পেঁয়াজ ২০০/- টাকা কেজি কিনেছি ! দোকানদার আমাকে বলেছে ভাই আগামী কাল ৩০০/- টাকা কেজি পেঁয়াজ কিনতে হবে ! তার পর পেয়াজ কিনে  বাড়ীতে এসে বিবি সাহেব কে বললাম পেয়াজের দাম অনেক বেড়েছে তরকারীতে হিসেব করে পেয়াজ দিবা বিবি সাহেব বললেন ঠিক আছে ।  বিবির কথা শুনে অন্তর জুরাইয়া গেল ।

সুযোগ বুঝে পেঁয়াজ আঢ়ৎদার মালিক’রা যে পেঁয়াজ মৌজুদ করে রেখেছিলেন সে পেঁয়াজ এখন বেশি দরে বিক্রি করে লাভ গুনছেন বেবহুল হারে। এনিয়ে সাধারণ জনগণ ও সুধীমহলের ভিতর শুরু হয়েছে সমালোচনার ঝড়।

Comments are closed.