ইসলামপুর পৌরসভা প্রথম শ্রেনীতে উন্নীত

5

নারায়ন মোদক:ইসলামপুর প্রতিনিধি ঃ স্থানীয় সরকার বিভাগের ৩১ মে ২০১১ তারিখের ৮১১ নম্বর পরিপত্র অনুযায়ী ইসলামপুর পৌরসভাকে দ্বিতীয় শ্রেনী থেকে প্রথম শ্রেনীতে উন্নীত করা হয়েছে।

জানা গেছে, যমুনা ও ব্রহ্মপুত্র নদ-নদী বিধৌত ইসলামপুর পৌরসভাটি জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার প্রানকেন্দ্র অবস্থিত। ইসলামপুর পৌরসভাটি বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী কাঁসা শিল্প অধ্যুষিত এলাকার ১৪.৭১ বর্গ কিঃমিঃ আয়তনের ভুমির উপর ১৯৯৮ইং সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এটি প্রতিষ্ঠাকালে এখানে ০৯টি ওয়ার্ড, ৩৫ হাজার ৪ শত ২৭ জন জনসংখ্যা ছিল। পৌরসভাটি ৬ হাজার ৬৬৬ হোল্ডিং সংখ্যা নিয়ে যাত্রা শুরু করে। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এ পৌরসভাকে তৃতীয় শ্রেনী হতে প্রথমে দ্বিতীয় শ্রেণী এবং সবশেষে প্রথম শ্রেনীতে উন্নীত করেন।
ইসলামপুর পৌরসভাটি প্রথম শ্রেনীতে উন্নীত করায় বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন জামালপুর-২ ইসলাপুর আসনের দুইবারের এমপি আলহাজ্ব মোঃ ফরিদুল হক খান দুলাল এবং ইসলাপুর পৌর সভার দুইবারের সুযোগ্য মেয়র আব্দুল কাদের শেখ ও পৌরসভা সচিব নরুল ইসলাম মিন্টু ।

এছাড়াও ইসলামপুর পৌরসভাটিকে প্রথম শ্রেনীর পৌরসভা হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়ায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম ও প্রতিমন্ত্রী জনাব স্বপন ভট্রাচার্য্যের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন ইসলাপুুরের এমপি ফরিদুল হক খান দুলাল, পৌর মেয়র আব্দুল কাদের শেখ ও পৌরসভায় ২২ জন কর্মকর্তা ও চুক্তিভিওি কর্মচারী প্রায় ৪৫ জন এবং ইসলামপুরের সচেতন নাগরিকগণ।

ইসলামপুর পৌর এলাকার অধিকাংশ জনগন কৃষি ও ব্যবসার উপর নির্ভরশীল। ইসলামপুরের কাঁসা শিল্প আজও বাংলাদেশ বিখ্যাত। ঐতিহ্যবাহী এই কাঁসা শিল্পটি বিগত দিনে দেশের গন্ডি পেরিয়ে বিদেশেও সুনাম অর্জন করেছে। এছাড়াও ইসলামপুরে উৎপাদিত অর্থকরি ফসলের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে পাট ও বেগুন। ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও বেগুন ও পাটের ভুমিকা অনন্য। বিশেষ করে পাট ও বেগুনের প্রধান বাণিজ্য কেন্দ্রই ইসলামপুর পৌরসভার ঠাকুরগঞ্জ নিত্য বাজার। ইসলামপুর পৌরসভার ব্যবসায়ীরা শীত মৌসুমে প্রতিদিন শতশত মন বেগুন ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন শহরে পৌছে দেন। ইসলামপুর পৌর কর্তৃপক্ষ এলাকার ময়লা- আবর্জনা নিয়মিত অপসারণ এবং অধিকাংশ সড়কে সড়ক বাতি স্থাপন করাসহ পৌরবাসীদের যথাযথ ভাবে নাগরিক সেবা প্রদান অব্যাহত রেখেছেন।

Comments are closed.