নারায়ণগঞ্জে ‘কুমারী পূজা’ অনুষ্ঠিত

11

নিজস্ব প্রতিবেদক:
শারদীয় দূর্গাৎসবের বিশেষ আকর্ষন কুমারী পুজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (৬ অক্টোবর) বেলা ১২ টায় নগরীরর রামকৃষ্ণ মিশনে কুমারী পূজা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতিবারই নারায়ণগঞ্জের রামকৃষ্ণমিশনে কুমারী পুজা করা হয়ে থাকে। তবে এবার শুধু রামকৃষ্ণমিশনে নয় নগরীর গলাচিপা শ্রী শ্রী রামকানাই জিউড় আখড়া, কাশীপুর বাড়ৈভোগ শ্রী শ্রী রাধা গোবিন্দ জিউড় আখড়াসহ নগরীরর একাধিক মন্দিরগুলোতে কুমারী পূজা পালন করা হয়।

এবারে রামকৃষ্ণ মিশনের কুমারী হিসেবে পূজা করা হয় পরিমল চক্রবর্তী ও মিতা চক্রবর্তী কন্যা ঐশী চক্রবর্তীকে। সকাল থেকেই পূজা মন্ডপে ছিল অগণিত ভক্তদের ভীড়। এ সময় শাখ,উলুধ্বনীর মধ্যে দিয়ে কুমারী মাকে আসনে বসানো হয়ে। অগ্নি, জল, বস্ত্র, পুষ্প ও বাতাস এই পাঁচ উপকরণ দিয়ে ‘কুমারী’ মায়ের পূজা করা হয়।

এরপর কুমারী মায়ের গলায় পুষ্পমাল্য পরিয়ে দেয়া হয়। তারপর পুরহিতের মন্ত্রের সাথে সাথে একে একে ভক্তরা অঞ্জলী প্রদান করেন। পুজো শেষে ভক্তদের চরণামৃত বিতরনের মধ্যে দিয়ে কুমারী পূজার সমাপ্ত করা হয়।

হিন্দুশাস্ত্রমতে, কুমারী পূজা না হলে দূর্গাপুজা সম্পন্ন হয়না। তাই প্রতিবছরই ২ থেকে ১৬ বছর বয়সের সুলক্ষ্মনা অবিবাহিত মেয়েদের কুমারী পূজায় কুমারী হিসেবে পূজা করা হয়।

ধর্মপ্রচারক স্বামী বিবেকানন্দ বেলুড় মঠে ১৯০১ সালে কুমারী পুজার প্রচলন করেন। তখন থেকে প্রতিবছর দূর্গাপূজার অষ্টমী তিথিতে এ পূজার প্রচলন চলে আসছে।

শাস্ত্র অনুসারে, সাধারণত ১ থেকে ১৬ বছরের সুলক্ষণা কুমারীকে পূজা করা হয়। সনাতন সম্প্রদায়ের মতে, কুমারী পূজার মাধ্যমে নারী হয়ে উঠবে পবিত্র ও মাতৃভাবাপন্ন। সব নারী ভগবতীর একেকটি রূপ। শুদ্ধাত্মা কুমারীতে ভগবতীর প্রকাশ।

Comments are closed.