বর্তমান সময়ে শিক্ষা ও মেডিকেল ব্যবসা হচ্ছে সবচাইতে বড় ব্যবসা :জেলা প্রশাসক জসিম উদ্দিন

5

মোঃ ওয়ারদে রহমান:শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা শিক্ষার্থীদের নিজে পড়াবে, সেটা না করে টিউশনে দিয়ে দেয়। সিদ্ধিরগঞ্জের অক্সফোর্ডের মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও দুষ্ট শিক্ষকদের কাছে সন্তানদের তুলে দেবে। এতে করে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন সময় নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। কারণ অভিভাবকরা স্কুলে দিয়েই ভাবছেন তাদের সন্তানদের প্রতি সকল দ্বায়িত্ব শেষ হয়ে গিয়েছে এখন দেখবে স্কুল কর্তৃপক্ষ। সোমবার বিকেল ৪টায় জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগার মিলনায়তনে মানব কল্যাণ পরিষদের ১৯ বছর পদার্পণ উপলক্ষে বর্ষপূর্তি উৎসবে প্রধান অতিথি নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোঃ জসিম উদ্দিন বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

মানব কল্যাণ পরিষদের চেয়ারম্যান এম এ মান্নান ভ‚ঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা তথ্য অফিসার সিরাজ-উল-দৌলা খান, জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোঃ আসাদুজ্জামান সরকার, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক মোঃ সামছুল আলম প্রমুখ।

প্রধান অতিথি বলেন, অভিভাবকরা নিজের সন্তানকে পড়াতে চায় না। টিউশনে পাঠিয়ে দিয়েই সব দ্বয়িত্ব শেষ। এ নিয়ে অন্যদের সঙ্গে ঝগড়া করতে চায়। তারা শিক্ষকদের দোষ দেবে কিন্তু নিজেরা সন্তানদের প্রতি খেয়াল রাখবেনা। অন্যদিকে শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের টাকায় পিকনিক করে, ভালো ভালো খাবার খায়। কিন্তু প্রশ্ন করে দেখুন, শিক্ষা সফরে কোথায় গিয়েছিলেন, বলতে পারবে না। বর্তমানে কিন্ডরগার্টেন স্কুলেও এসি আছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো এসি ক্লাসরুমে বসে শিক্ষার্থীরা কি শিখছে ? আমাদের সময়তো আমরা টেবিলে বসেও পড়তে পারিনি।

তিনি আরো বলেন, বর্তমান সময়ে শিক্ষা ও মেডিকেল ব্যবসা হচ্ছে সবচাইতে বড় ব্যবসা। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এখন আর শিক্ষার্থীদের ফুল বা হাফ ফ্রি নেই। অপরদিকে প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকরা বলেন, শিক্ষার্থীরা নাকি বেতনই দেয় না। বেতন ছাড়া কি ভর্তি নেয় ? এই সকল প্রতিষ্ঠান খুুলতে পারলেই হলো, শুধু টাকা আর টাকা।

Comments are closed.