ফাতেমার ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে না:গঞ্জে আসলেন মানবাধিকার কমিশনের পরিচালক

6

নিজস্ব সংবাদদাতা :ফাতেমা বেগমের ন্যায়বিচারের ব্যাপারে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের পরিচালক ও ডিস্ট্রিক জজ আল মাহমুদ ফাইজুল কবির বলেন,এডভোকেট,থানা এবং ডিস্ট্রিক জজ একত্রে বসে ভিকটিমের কথা শুনেছি এবং কি কি সেশনে মামলা করা যায় তার ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এজন্য আনিসুর রহমান দিপু,বারেক তাহের সাব ও শাফি সাব দেখবেন থানা অধীনেই মামলাটির কাজ সম্পূর্ণ হবে।ক্ষতিগ্রস্ত ন্যায় বিচার থেকে কোন প্রকার বঞ্চিত হবে না।আমরা ভিকটিম ও তার আত্নীয় স্বজনের জন্য নিরাপত্তার জন্য ওসি কে বলেছি ব্যবস্থা নেবার সেই সাথে মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যানের নিকট রিপোর্ট জমা দেবার পর স্থানীয় প্রশাসককে ওকিবল এবং চিকিৎসাধীন হাসপাতালের ডাক্তাদের ভিকটিমকে সঠিক চিকিৎসার ব্যবস্থা নেবার জন্য বলবো।

ভিকটিম ফাতেমা বেগম(স্বামী মৃত্যু রফিজ উদ্দীন),তিনি বলেন,১৬ই ফেব্রুয়ারি পূর্ব পাওনা আদায়কে কেন্দ্র করে ফাতেমা বেগমের সাথে উম্মে হানির বিবাদ বাদে।ফাতেমা বেগমের নিকট থেকে এক লক্ষ বাইশহাজার টাকা ধার নেয় উম্মে হানি তিন মাস পূর্বে।পাওনা টাকা চাওয়ার দাবী তে উম্মে হানি স্বামী জীবন সহ কতিপয় কিছু লোক নিয়ে এসে তার বাড়ি ভাংচুর এবং বাসা থাকা টাকা পয়সা লুট করে নিয়ে যাওয়ার পূর্বে আসবাবপত্র নালায় ফেলে দেয়।পরবর্তীতে ফাতেমা বেগম সহ তার আত্নীয়দের গাছের সাথে বেঁধে বেদম প্রহার করে মাথার চুল কেটে দেয়।মেম্বার সহ কিছু লোক এসে তাদের হাসপাতালে নিয়ে যায়।থানায় যাবার কথা বললে মেম্বার থানায় না যাবার জন্য বলে।হাসপাতাল থেকে থানায় গিয়ে ওসিকে মামলা নিতে বললে সোনাকান্দার ওসি মামলা নিতে নারাজ হয় এবং ওসি সহ মেম্বারের লোকেরা মোবাইলে কল দিয়ে ভয় ভীতি দেখায়।তাই ভিকটিম নারায়নগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমনে মামলা করার জন্য আসে ১৭ই ফেব্রুয়ারি এবং মানবাধিকার কমিশনের নিকট একটি আবেদন করে ন্যায় বিচারের জন্য।

Comments are closed.